Headline
  Pay your municipal tax regularly   Form a Drug-free society   Accept approval of the municipality for construction of any establishment and help in planned urbanization   Leave the garbage in place   Complete your child's birth registration   Pay water bill on time   Announce your child on time   Keep the city clean

তারাব পৌরসভার মেয়র-এর বক্তব্য

Mayor Hasina Gazi

হাছিনা গাজী

মেয়র, তারাব পৌরসভা, নারায়ণগঞ্জ।

+৮৮-০১৯১৬ ৮১৫৩৩৯

প্রিয় পৌরবাসী

২০১৭-২০১৮ অর্থ বৎসরের বাজেট, তারাব পৌরসভার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। এ বাজেট হলো উন্নয়নের বাজেট, জনকল্যানের বাজেট। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের বাজেট হবে পৌরবাসীর জীবনে একটি আর্দশ বাজেট। এ বাজেটে রাস্তা নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা, রাস্তা মেরামত ১২ কোটি টাকা, ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ ৩ কোটি, ড্রেন নির্মাণ, খালখনন মেরামত ২০ কোটি টাকা, পানি লাইন স্থাপন সম্প্রসারন ১৫ কোটি টাকা, মসজিদ,মন্দির, কবরস্থান শ্মশান, নারী উন্নয়নেও বরাদ্দ এক কোটি টাকা। এছাড়া দারিদ্র বিমোচন পরিবেশ উন্নয়নে বিশেষভাবে বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে নতুন করে কোন কর আরোপ করা হয়নি। জনগন যেন সুখে শান্তিতে থাকতে পারে তার জন্য এ বাজেট প্রনয়ন করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে বিশেষ প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। আগামীতে জনগন জলাবদ্ধতা থেকে অনেকটা মুক্তি পাবে।

প্রিয় পৌরবাসী আপনারা অবগত রয়েছেন যে, মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) আমাকে সার্বিক সহযোগীতা করে এ পৌরসভার কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। আমি পৌরবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাই।

আপনারা জানেন একটি ঋণগ্রস্থ পৌরসভা হিসাবে সাবেক মেয়রের নিকট হতে আমি বিগত ০৭/০২/২০১৬খ্রিঃ এ পৌরসভার দায়িত্বভার গ্রহন করি। দায়িত্বভার গ্রহনের পর আমি এ পৌরসভার প্রশাসনিক শৃংঙ্খলার পাশপাশি আর্থিক শৃংঙ্খলা নিশ্চিত করা ও উন্নয়ন ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে মন্ত্রী ও সচিবদের নিকট গমন করি পৌরসভাকে নতুন নতুন প্রকল্পভূক্ত করে জনসাধারনের কাংঙ্খিত উন্নয়নের জন্য আমি অত্র এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্যের সহযোগীতা নিয়ে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। তারাব পৌরসভার প্রধানতম সমস্যা জলাবদ্ধতা নিরসনে আমি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহন করি। পৌরসভার পক্ষ হতে সকল ধরনরে নাগরিক সেবা দ্রুত দেয়ার ব্যবস্থা করি। অত:পর আগামী অর্থ বছরে এ পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বৎসরের বাজেটের কার্যক্রম শুরু করেছি।

প্রিয় সুধীবৃন্দ,

তারাব পৌরসভা ২০০২খ্রিঃ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর আয়তন ২৪.৬০ বর্গ কিঃমিঃ। এটি ‘‘ক’’ শ্রেনীর একটি পৌরসভা। ‘‘ক’’ শ্রেনীর পৌরসভা হিসেবে এর জনবল ও সরকারী বরাদ্দ অপ্রতুল। পর্যাপ্ত বরাদ্দ এবং উন্নত পরিকল্পনার অভাবে এ পৌরসভার কাঙ্খিত উন্নয়ন হয় নাই। বর্তমানে নিজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ গ্রহনের মাধ্যমে এ বাজেট পৌরবাসীর জন্য একটি উন্নয়নমুখী ও কল্যানমুখী বাজেট তৈরী করা হয়েছে। আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তরের জন্য এ বাজেটকে একটি সুষম বাজেট হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়। এ বছর মোট=১০৯,৬২,১০,০০/= (একশত নয় কোটি বাষট্টি লক্ষ দশ হাজার) টাকার বাজেট প্রনয়ন করা হয়েছে। শুধুমাত্র উন্নয়ন খাতে বাজেট ব্যয় ধরা হয়েছে=১০০,৯০,০০,০০০/= (একশত কোটি নব্বই লক্ষ) টাকা। ইতিমধ্যে মাননীয় সংসদ সদস্যের সহযোগিতায় দ্রুত নগরায়ন উন্নয়ন প্রকল্প, বি,এম,ডি,এফ উন্নয়ন প্রকল্প, গুরুত্বপূর্ন নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, ইউ জি আই আই পি -৩ প্রকল্প, পানি সরবরাহ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব হবে। বর্তমান অর্থ বৎসরে রাস্তা নির্মাণ, রাস্তা মেরামত, ডাষ্টবিন নির্মাণ, ড্রেইন নির্মাণ, পানির লাইন সম্প্রসারন, সড়ক বাতির লাইন সম্প্রসারন সহ অবকাঠামো উন্নয়নে বেশী বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। বয়স্কভাতা, বিধাব ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা, দুংস্থ ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার টাকার পরিমান ও সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। এ বছর থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতা পৌরসভায় চালু হবে। বর্তমান বছর থেকে সেই সুবিধা ভাতাভোগীরা ভাতা গ্রহন করবেন। আধুনিক পৌরসভা হিসেবে এর উন্নয়নের বিকাশ ঘটবে বর্তমান অর্থবৎসরে। অতীতে অনেক বড় বড় অংকের বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তার ২০% ও বাস্তবায়িত হয়নি কিন্তু এ বছরেই বাজেট বাস্তবায়ন হয়েছে অতীতের চেয়ে প্রায় তিনগুন। তাই আমি বাস্তবতার আলোকে এবারের বাজেট প্রনয়ন করছি। তাছাড়া স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। দারিদ্র বিমোচন, অনগ্রসর গোষ্ঠী ও নারী উন্নয়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে নারীদেরকে সেলাই মেশিন দেওয়া হয়েছে এবং তাদেরকে প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছে।

২০১৭- ২০১৮ খ্রিঃ অর্থ বৎসরের বাজেটের রাজস্ব আয়:

গৃহ ও ভূমির উপর কর দুই কোটি ত্রিশ লক্ষ টাকা, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর কর সাত কোটি টাকা, ইমারত নির্মাণ/ পূনঃনির্মাণ দুই কোটি পঁচিশ লক্ষ টাকা, পেশা, ব্যবসা ও কলিং আশি লক্ষ টাকা, জন্ম, বিবাহ ও দত্তক গ্রহন তিন লক্ষ টাকা, বিজ্ঞাপন পঞ্চাশ লক্ষ টাকা, যানবাহন (যান্ত্রিক যান ও নৌকা ব্যতিত) বিশ হাজার টাকা, লাইসেন্স ফি তিন লক্ষ টাকা, পৌর মার্কেট দুই লক্ষ পঞ্চাশ টাকা, টিউশন ফি আট লক্ষ টাকা, পরিবেশ ও অবস্থানগত অনাপত্তি ফি পাঁচ লক্ষ টাকা, অন্যান্য তিন লক্ষ, হাট-বাজার ইজারা চার লক্ষ টাকা, বাস/ট্রাক ষ্ট্যান্ড ইজারা বিশ হাজার টাকা, রোলার ভাড়া/মিক্সার মেশিন ভাড়া পাঁচ লক্ষ টাকা, পৌর সম্পত্তি ভাড়া পঞ্চাশ হাজার টাকা, অন্য সংস্থা কর্তৃক রাস্তা কর্তনের জন্য ক্ষতিপূরণ তিন লক্ষ টাকা, বিভিন্ন সার্টিফিকেট সাত লক্ষ টাকা, বিভিন্ন ফরম সাত লক্ষ টাকা, দরপত্র সিডিউল এক লক্ষ টাকা, গণশৌচাগার ইজারা বিশ হাজার টাকা, বিবিধ আয় এক কোটি টাকা, উন্নয়ন খাত ব্যতীত সরকারী অনুদান ঃ নগর শুল্কের পরিবর্তে মঞ্জুরী তিন লক্ষ টাকা, বেতন ভাতা সহায়তা মঞ্জুরী এক লক্ষ পঞ্চাশ টাকা। মোট রাজস্ব আয় চৌদ্দ কোটি বিয়াল্লিশ লক্ষ দশ হাজার টাকা মাত্র।

২০১৭- ২০১৮ খ্রিঃ অর্থ বৎসরের বাজেটের রাজস্ব ব্যয়:

মেয়র/কাউন্সিলর/কর্মকর্তা সম্মানী ভাতা চব্বিশ লক্ষ টাকা, মেয়র/কাউন্সিলর/কর্মকর্তা-কর্মচারীগনের প্রশিক্ষন সংক্রান্ত দুই লক্ষ টাকা, কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন ভাতা দুই কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা, আনুতোষিক তহবিলে স্থানান্তর পয়ত্রিশ লক্ষ টাকা, যানবাহন মেরামত ও জ্বালানি চল্লিশ লক্ষ টাকা, যানবাহন ক্রয় (জীপ/কার/ গার্বেজ ট্রাক) সত্তর লক্ষ টাকা, টেলিফোন সংযোগ ও বিল দুই লক্ষ টাকা, বিদ্যুৎ বিল চার লক্ষ টাকা, উন্নয়ন কার্যক্রম প্রদর্শন এক লক্ষ, স্টেশনারী মালামাল ক্রয় তিন লক্ষ টাকা, আনুষাঙ্গিক ব্যয় পাঁচ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র/যন্ত্রপাতি ক্রয় দশ লক্ষ টাকা, কম্পিউটার ক্রয় ও রক্ষনা-বেক্ষন তিন লক্ষ টাকা, পৌরসভা চালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ত্রিশ লক্ষ টাকা, নর্দমা পরিস্কার /খাল খনন / জলাবদ্ধতা দূরীকরন দশ লক্ষ টাকা, ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার পাঁচ লক্ষ টাকা, পরিচ্ছন্ন কর্মী / ক্লীনার মজুরী আশি লক্ষ টাকা, বিভিন্ন ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান / ক্লাবে অনুদান পাঁচ লক্ষ টাকা, বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও গির্জায় অনুদান দশ লক্ষ টাকা, জাতীয় / ধর্মীয় দিবস উদযাপন বিশ লক্ষ টাকা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি পাঁচ লক্ষ, বিধ্বস্ত রাস্তা মেরামত পাঁচ লক্ষ টাকা, জন্ম নিবন্ধীকরন কর্মসূচী এক লক্ষ টাকা, আপ্যায়ন পাঁচ লক্ষ টাকা, পৌর মার্কেট নির্মাণে আনুসাঙ্গিক ব্যয় পাঁচ লক্ষ টাকা, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংবর্ধনা/কৃতিশিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা পাঁচ লক্ষ টাকা মাত্র। সর্বমোট রাজস্ব ব্যয় আট কোটি তের লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা মাত্র।

২০১৭- ২০১৮ খ্রিঃ অর্থ বৎসরের বাজেটের উন্নয়ন আয়ঃ

সরকার প্রদত্ত উন্নয়ণ সহায়তা মঞ্জুরী এক কোটি বিশ লক্ষ, রাজস্ব উদ্বৃত্ত ছয় কোটি, স্বেচ্ছা অনুদান পাঁচ কোটি, অফিস ভবন নির্মান দুই কোটি, বিশেষ বরাদ্দ এক কোটি, বি.এম.ডি.এফ এর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প দশ কোটি, নগর অঞ্চল উন্নয়ণ প্রকল্প দশ কোটি, তৃতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরন বিশ কোটি. পানি সরবরাহ ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বিশ কোটি,জলবায়ূ ট্রাস্ট ফান্ড সাত কোটি, বিশেষ প্রকল্প দশ কোটি, অডিটোরিয়াম নির্মান সাত কোটি। সর্বমোট উন্নয়ন ব্যয় একশত এক কোটি বিশ লক্ষ টাকা মাত্র।

২০১৭- ২০১৮ খ্রিঃ অর্থ বৎসরের বাজেটের উন্নয়ন ব্যয়:

রাস্তা নির্মান বিশ কোটি আশি লক্ষ, রাস্তা মেরামত/সংস্কার বার কোটি, ব্রীজ/কালভার্ট নির্মান তিন কোটি, ডাষ্টবিন নির্মাণ সাত কোটি পঞ্চাশ লক্ষ, ড্রেন নির্মান/মেরামত বিশ কোটি, পানির লাইন স্থাপন/সম্প্রসারন পাঁচ কোটি, গভীর/অগভীর নলকুপ স্থাপন পঞ্চাশ লক্ষ, কর্তনকৃত রাস্তা মেরামত পঁচিশ লক্ষ, হাট-বাজার উন্নয়ন এক কোটি, মসজিদ ও কবরস্থান / ঈদগাঁ/শ্মশান উন্নয়ন এক কোটি, গুরুত্বপূর্ন নগর অবকাঠঅমো উন্নয়ন প্রকল্প দুই কোটি, পানি সরবরাহ অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প দুই কোটি, পৌরসভা ভবন নির্মাণ এক কোটি, কসাইখানা নির্মান দশ লক্ষ, পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয় অবকাঠামো নির্মান আশি লক্ষ, মার্কেট নির্মাণ দুই কোটি, স্টাফ কোয়ার্টার ও পৌর স্কুল নির্মান পঞ্চাশ লক্ষ, গনশৌচাগার/ পাবলিক টয়লেট নির্মান পঞ্চাশ লক্ষ টাকা, স্যানিটেশন সামগ্রী / সুইপার কলোনি বিশ লক্ষ, রিটিনিং ওয়াল নির্মাণ/ ঘাটলা নির্মান পঞ্চাশ লক্ষ টাকা, সড়ক বাতি স্থাপন তিন কোটি টাকা, মাটির রাস্তা নির্মাণ দুই কোটি টাকা, ভাউন্ডারাী ওয়াল এক কোটি টাকা, শিশু পার্ক নির্মান এক কোটি টাকা, ভূমি অধিগ্রহন দুই কোটি টাকা, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য এক কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা, অন্যান্য তিন কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা। সর্বমোট উন্নয়ণ ব্যয় একশত কোটি নব্বই লক্ষ টাকা মাত্র।

সম্মানিত সাংবাদিক বৃন্দ:

আপনাদের লেখনির মাধ্যমে এ পৌরসভার জবাবদিহীতা নিশ্চিত হবে। শত ব্যস্ততার মাঝে আজকের বাজেট অনুষ্ঠানে আপনারা যোগদান করেছেন সে জন্য আপনাদের শুভেচ্ছা ও অভিন্দন জানাচ্ছি। অতিতে আপনারা এ পৌরসার উন্নয়ন কর্মকান্ডের চিত্র পত্রিকায় যেভাবে তুলে ধরেছেন তেমনি ভবিষ্যতেও পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরবেন সে আশাবাদ ব্যক্ত করছি। পৌরসভার বাজেট প্রনয়নে আপনারা যে সু-চিন্তিত মতামত প্রদান করেছেন, যার মাধ্যমে আমরা সুন্দর একটি বাজেট প্রনয়ন করতে পেরেছি,সে জন্য আপনাদের আপনারদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। উপস্থিত সম্মানীত সুধী মন্ডলী তারাব পৌরসভার দায়িত্ব ভার গ্রহনের পর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক) মহোদয় রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে এ পৌরসভার এবং রূপগঞ্জের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন। তাকে পৌরবাসী, পৌর-পরিষদ, কর্মকর্তা কর্মচারীদের পক্ষথেকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। দায়ীত্বভার গ্রহনের পর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব খন্দকার মোশারফ হোসেন, মন্ত্রনালয়ের সাচিব, জনাব আব্দুল মালেক জেলা প্রশাসক, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর পরিষদের কাউন্সিলর বৃন্দ পৌর কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমেন বৃন্দ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী, সাংবাদিক বৃন্দ, ব্যবসায়ী বৃন্দ, রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দের কাছথেকে উন্নয়ন কর্মকান্ড সহ বিভিন্ন বিষয়ে যে মূল্যবান পরামর্শ ও আন্তরিক সহযোগীতা পেয়েছি তার জন্য সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পৌরসভার কাউন্সিলর গন এবং সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর মেধা ও মননশীলতা কাজে লাগিয়ে বাজেট প্রনয়নের জন্য তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পরিশেষে আজকের বাজেট অনুষ্ঠানের উপস্থিত প্রধান অতিথী, আমন্ত্রিত সূধী মন্ডলী এবং সম্মানীত পৌরবাসী সকলকে আন্তরিক অভিন্দন এবং সকলের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।